• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বহুল প্রত্যাশিত আলীর টেক -বক্তা বলী সেতু ডিগ্রীর চর খেয়াঘাট দিয়ে হচ্ছে। বাংলাদেশ সহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক দিল্লিতে জনগণের আস্থা অর্জন জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি: আইজিপি জাইকার শ্রমিকদের কুপিয়ে জখম নারায়ণগঞ্জ শহীদ জিয়া হলে সিতি হাসমাহ । মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন ২৪ সদস্যের লিঁয়াজো কমিটি গঠন ৭ ইসলামিক দলের ঐক্য গঠনের প্রতিষ্ঠায়। আরো একটি দেশের প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালালেন ছাত্র আন্দোলনের মুখে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ।নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ক্রিয়া সংস্থার সদস্য সচিব রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করলেন অবৈধ অনলাইন প্লাটফর্মে আর্থিক লেনদেনে বাংলাদেশের১৩টি পোশাক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কানাডার মেলায় অংশগ্রহণ

সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী

মোঃ মাইনুল হোসেন মঈন / ১৮৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। আগামীকাল (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’খ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে, যা দেশের জন্য গৌরবের। এ উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

তিনি বলেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী জীবন উৎসর্গ করেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এখন প্রয়োজন গণতন্ত্রকে সুসংহত করা। এ ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

 

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে।

 

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি। একই সঙ্গে শিক্ষাকে শুধু সনদনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতার ভিত্তিতে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ এবং গবেষণার সংস্কৃতি জোরদার করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 

বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যালামনাই দেশে-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বহুমাত্রিক শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জনেরও পরামর্শ দেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা চাকরি খোঁজার পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।

 

শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বি

সাফল্য কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd