• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সীমানা বর্ধিতকরণে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের গনশুনানিঅনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটের মানববন্ধন পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, যা লিখেছেন পদত্যাগপত্রে সিদ্ধিরগঞ্জের এলাকাবাসীর দাবি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার যন্তর মন্তরে ‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলন চলবে, সরকারের কাছে তাদের তিন দাবি কী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় মাসদাইর এলাকায় ছিনতাইকারী আখ্যায় সিজান হত্যায় ওলামা দল ও খেলাফত মজলিসের নেতা সহ ২১ জন আসামি ব্রাজিলের হার দেখে ঘুম, সকালে উদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ! বন্দরে আনসারদের অস্ত্র লুটে নিল ডাকাত দল। মাদক উদ্ধার নামে লুটপাট ফতুল্লায় চুরির মামলায় এসআই কারাগারে।

‎৫ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দেড় কোটি টাকা জরিমানা

জেলা প্রতিনিধি / ৬২ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

৫ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দেড় কোটি টাকা জরিমানা

রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল নানিয়ারচর উপজেলার কুতুকছড়ি সেতু। দুই জেলার সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ কুতুকছড়ি সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পাঁচ বছর পার হলেও এখনো শেষ হয়নি নির্মাণকাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় দুই দফায় সময় বাড়িয়েও কাজের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।

 

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। ( ০১৭৭৮৯৯৮৪৩৩ )

 

 

একই সঙ্গে প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। ফলে অর্ধনির্মিত অবস্থায় পড়ে থাকা সেতুর কারণে দুই জেলার লাখো মানুষকে এখনও বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

‎সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১২ জানুয়ারি কুতুকছড়ি এলাকার পুরোনো বেইলি সেতুটি ভেঙে পড়ার পর যোগাযোগ সচল রাখতে পাশেই একটি অস্থায়ী বেইলি সেতু ও বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হয়। পরে স্থায়ী সমাধান হিসেবে ২০২২ সালের জুলাই মাসে প্রায় ১৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮১.৩১ মিটার দৈর্ঘ্যের নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। সাগর ইকো বিল্ডার্স ও রাঙামাটি ট্রেডার্স জেভি নামের যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি তারা।

‎সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় সেতুর লোহার বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরেছে। এছাড়া নদীর ওপর নির্মিত পিলারগুলো ছাড়া সেতুর নির্মাণকাজে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

 

‎অন্যদিকে সেতুর পাশের বিকল্প সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনকে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে কাদা ও পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে যাত্রী, শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন চালকদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পাশাপাশি দুই জেলার ব্যবসা বাণিজ্য, কৃষি পণ্য পরিবহন ও পর্যটন খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। (০১৭৭৮৯৯৮৪৩৩)

 

 

রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ করার জন্য একাধিকবার নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি। এ কারণে দুই ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রায় দেড় কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দ্রুত নতুন প্রক্রিয়ায় ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে সেতুর অবশিষ্ট নির্মাণকাজ সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

‎দীর্ঘদিনেও সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে নির্মাণকাজ শেষ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হোক। এতে দুই জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য ও পর্যটন কার্যক্রমেও স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd