• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রেমের টানে জামালপুরের গ্রামে ফিনল্যান্ডের যুবক, করলেন বিয়ে সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে ৯ নভেম্বর বিক্রি বন্ধ রাখার কর্মসূচি প্রত্যাহার এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ঢাকেশ্বরীতে দুর্গাপূজায় খরচ হচ্ছে দেড় কোটি টাকা, কী কী থাকছে এবার ৫০০ টাকার বাজিতে জীবন্ত শালিক খেয়ে গ্রেপ্তার লোকসানে ইংল্যান্ডের ৯৪ শতাংশ ক্লাব, মালিকেরা টাকা না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে এক-তৃতীয়াংশ অপারেশন ক্লিনহার্ট করার পরিকল্পনা নেই: চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমারত্ব নিয়ে প্রশ্ন করে সালমানের ধমক খেলেন করণ মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, জাবিতে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ সাবিলার বিচ্ছেদের গুঞ্জন, আঙুল উঠল শাকিব খানের দিকে!

লোকসানে ইংল্যান্ডের ৯৪ শতাংশ ক্লাব, মালিকেরা টাকা না দিলে বন্ধ হয়ে যাবে এক-তৃতীয়াংশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক / ১৩ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

টাকার ঝনঝনানি, কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়াম আর গ্ল্যামারের আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যায় ইংলিশ ফুটবলের। কিন্তু সেই রঙিন পর্দার আড়ালে কতটা বিপজ্জনক এক খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলো, তা আরও একবার সামনে এল। ইংল্যান্ডের অধিকাংশ পেশাদার ফুটবল ক্লাব দাঁড়িয়ে আছে আর্থিক বিপর্যয়ের কিনারায়! মালিকেরা অর্থের জোগান বন্ধ করে দিলে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্লাব এক মাসও টিকতে পারবে না।

ইংল্যান্ডের নতুন স্বাধীন ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার (আইএফআর) ‘স্টেট অব দ্য গেম’ নামে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই উদ্বেগজনক চিত্র। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ মৌসুমে ইংল্যান্ডের শীর্ষ পাঁচ স্তরের ৯৪ শতাংশ ক্লাবই লোকসান করেছে।

 

অথচ গত মৌসুমে ইংলিশ ফুটবলের মোট আয় ছিল ৯০০ কোটি পাউন্ড। মূলত প্রিমিয়ার লিগের বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তার কারণেই এত বিপুল আয়। কিন্তু আয়ের এই পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে আছে আর্থিক সংকটের গভীর খাদ।

 

ইংলিশ ফুটবলে যে মাত্রার আর্থিক ঝুঁকি স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে, তা মোকাবিলায় আর সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় সব ক্লাবই টিকে থাকতে মালিকদের অর্থের ওপর নির্ভরশীল। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্লাব জানিয়েছে, মালিকেরা হঠাৎ অর্থ দেওয়া বন্ধ করলে ৯০ দিনের বেশি টিকতে পারবে না তারা। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্লাবের অবস্থা আরও ভয়াবহ। তাদের হাতে সময় থাকবে সর্বোচ্চ এক মাস।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, ইংলিশ ফুটবল এখন ‘ঝুঁকিতে ঠাসা এক খেলা’। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নশিপ, লিগ ওয়ান ও লিগ টুর ক্লাবগুলো প্রিমিয়ার লিগের বিপুল অর্থের নাগাল পেতে সামর্থ্যের বাইরে খরচ করছে। তাতে বাড়ছে ঋণের বোঝা, তৈরি হচ্ছে অস্তিত্বের সংকট।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শেফিল্ড ওয়েনসডে, ডার্বি কাউন্টি, রিডিং ও উইগানের মতো ক্লাব আর্থিক সংকটে পড়েছে। ঋণের চাপে ২০১৯ সালে বিলুপ্ত হয়েছে বুরি, পরের বছর ম্যাকলসফিল্ড টাউন।
আইএফআরের চেয়ারম্যান ডেভিড কোগান ও প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মঙ্কস প্রতিবেদনে লিখেছেন, ‘ইংলিশ ফুটবলে যে মাত্রার আর্থিক ঝুঁকি স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে, তা মোকাবিলায় আর সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই।’

২০২৭ সালের শুরুতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কথা। এর আগে প্রিমিয়ার লিগ ও ইংলিশ ফুটবল লিগকে (ইএফএল) রাজস্ব বণ্টনের নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। সমঝোতা না হলে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।
প্রিমিয়ার লিগ অবশ্য আগামী ১০ বছরে নিম্নস্তরের ক্লাবগুলোকে দেওয়া আর্থিক সহায়তা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে। আলোচনা এখনো চলছে।
ফুটবল সমর্থকদের সংগঠন ফুটবল সাপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান টম গ্রেটরেক্স এই প্রতিবেদনকে ইংলিশ ফুটবলের জন্য ‘বিপৎসংকেত’বলেছেন। ব্রিটেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী লিসা ন্যান্ডির বক্তব্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ, ‘এই ক্লাবগুলো সমর্থকদের। সমর্থকদের ছাড়া এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd