রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল আমারি ও দুটি বারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরু বিলাতি মদ পাওয়া গেছে। আর ব্লিজ আর্ট বার অভিযানকালে বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানটির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন কর্মকর্তারা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে হোটেল আমারি, কিংফিশার বার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্ত পালন ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরু বিলাতি মদ পাওয়া যায়। এ ঘটনায়ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলছে।
এ ছাড়া, ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বারটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম অধিকতর যাচাই করতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।