রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। আর তিনি রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা নিয়ে দলটির ভেতরে-বাইরে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এমন আলোচনায় সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের নাম। প্রভাবশালী মন্ত্রীদের তালিকায় বর্তমানে রিজভী আহমেদ নেই। মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
এ প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মহাসচিব নিয়ে কী হচ্ছে আমার জানা নেই। তবে আমি দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য প্রকাশ করেই কাজ করছি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশেই দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দল আমাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, সেটা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকরাই ঠিক করবেন।’
এ প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মহাসচিব নিয়ে কী হচ্ছে আমার জানা নেই। তবে আমি দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য প্রকাশ করেই কাজ করছি।
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশেই দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দল আমাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, সেটা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকরাই ঠিক করবেন।’
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল নিজেই জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দলের স্থায়ী কমিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিয়েছে। তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার খবর একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান রোববার মির্জা ফখরুলের বরাত দিয়ে জানান, মহাসচিব এ বিষয়ে কিছু জানেন না। দলের পক্ষ থেকেও বিএনপি মহাসচিবকে কিছু জানানো হয়নি।
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
তবে প্রথমে মির্জা ফখরুলের মতো তাকেও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হবে।
যদিও সরকার গঠনের আগের আলোচনায় বিএনপির মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে সরকারে তারা এখন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। সে তুলনায় রিজভীর ব্যস্ততা কিছুটা কম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দলীয় কর্মসূচি, সংবাদ সম্মেলন, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং সাংগঠনিক যোগাযোগে তার অবদান রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি হিসাবে রিজভীর নামই সামনে আসছে। যদিও
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
এ কারণেই। কারণ, রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হলে ফখরুল মহাসচিবসহ দলীয় সব পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা যায়, দলের পরবর্তী মহাসচিব রিজভী আহমেদ হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ছাত্রনেতা থেকে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে।
বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)
এছাড়া রুহুল কবির রিজভী দলের জন্য ‘ফুলটাইম’ নিবেদিত বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আছে। এছাড়া পদাধিকারবলেও তিনিই এই পদের দাবিদার। ২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। পরে ২০১১ সালে দলটির তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাকেই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হন। সাধারণত সিনিয়র যগ্মমহাসচিবকে পরবর্তী মহাসচিব মনে করছেন তিনি। তবে বিএনপির সর্বস্তরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে রিজভী আহমেদের।
সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব হিসাবে দলের অনেক সাংগঠনিক কাজে দীর্ঘ সময় যুক্ত আছেন রিজভী।