• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

নারায়ণগঞ্জে বিএনপিতে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে সামনে নির্বাচন।

মোঃ মোক্তার হোসেন (সম্পাদক), দৈনিক নবচিন্তা-২৬ / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

নির্বাচন সামনে, নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

 

স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ একের পর এক সামনে আসছে। আদালতপাড়ায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের দুই পক্ষের সংঘাত, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, নেতাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের এক নেতার পদত্যাগ-সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় দলটির সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

আদালতপাড়ার এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুই বিএনপি নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। দলের এ সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিয়েও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

 

একই দিনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অ্যাডভোকেট সামছুন নূর বাঁধন। পদত্যাগপত্রে তিনি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়া এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

 

সামছুন নূর বাঁধনের অভিযোগ, ২০২৫ সালের মার্চে কমিটি গঠনের পর সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কেন্দ্রীয়ভাবে তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উপদলীয় কর্মকাণ্ডের কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

স্থানীয় নির্বাচন সামনে থাকায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্বের সমন্বয়, সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ এবং অঙ্গসংগঠনগুলোর কমিটি গঠন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না থাকা ইউনিটগুলোতে পদপ্রত্যাশীদের অসন্তোষ এবং বিদ্যমান নেতৃত্বের মধ্যে বিরোধ নির্বাচনের সময় দলীয় কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

 

 

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কীভাবে অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন করে, অঙ্গসংগঠনগুলোর নতুন কমিটি গঠনে কী উদ্যোগ নেয় এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ফিরিয়ে আনে-এখন সেদিকেই নজর রয়েছে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।

 

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির জন্য সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সামাল দিয়ে সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখা এবং নির্বাচনের আগে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম গতিশীল করা। নেতৃত্বের বিরোধ নিরসন ও কমিটি গঠনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা-ই আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd