• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নায়িকার ‘আপত্তিকর’ ছবি তোলা নিয়ে সালমানের হুঁশিয়ারি নারায়ণগঞ্জে এক রাতেই তিন স্থানে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯ চার দিনের সফ‌রে ঢাকায় আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রিয়াদে ফ্লাইট স্থগিত অনির্দিষ্টকালের জন্য। সতর্ক করল আইএসপিআর সেনাপ্রধান -সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে কোন অপপ্রচার না করতে। নারায়ণগঞ্জে বিএনপিতে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে সামনে নির্বাচন। দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৭৯ মন্ডপে৫১২ আনসার- ভিডিপি মোতায়নের উদ্যোগ নারায়ণগঞ্জ সদরে যুবক ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী। আইপিইউ সম্মেলনে সফল অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার মোহাম্মদপুরে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে অফিসগামীরা

আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

মাইনুল হোসেন মইন / ২৯ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।

 

 

দিবসটি ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের বর্ণাঢ্য আয়োজন ও কর্মসূচি পালন করা হয়। বিশেষ করে কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ তাদের সব ধরনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে বিভিন্ন সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

 

 

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এর পর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়।

 

এর মূল লক্ষ্য হলো কন্যাশিশুদের সামনে থাকা বিভিন্ন বাধা ও চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা। সেই সঙ্গে তাদের ক্ষমতায়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সবাইকে উৎসাহিত করা।

 

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি কন্যাশিশু তাদের শক্তি, সম্ভাবনা ও সৃজনশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে পরিচিত। তবে আজও দারিদ্র্য, শিক্ষার সুযোগের অভাব, অপুষ্টি ও বাল্যবিবাহের মতো অভিশাপ তাদের পিছু ছাড়ছে না। এছাড়া লিঙ্গবৈষম্য এবং বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা এখনো অনেক কন্যাশিশুর স্বাভাবিক বিকাশের পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা ধরনের মানবিক সংকটের সময় কন্যাশিশুরা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে।

 

 

দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি তাদের সঠিক পুষ্টি, উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা এবং নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ করার বিষয়ে কাজ করা হয়। এছাড়া পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়েদের অংশগ্রহণ ও মতামত জানানোর সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd