• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে ডেঙ্গুতে আরও এক নারীর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৭ কুমিল্লায় এবার কিশোর গ্যাং লিডার রতনসহ আটক ৩৬৩ না জানিয়ে অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তি পাচ্ছেন বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার ভুট্টার রাজধানী হবে লালমনিরহাট: ত্রাণ মন্ত্রী আদালতের নৃশংস হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা স্যূপের পাত্রে মিলেছে মডেলের খুলি সাবরেজিস্টারদের পোস্টিং এ লটারির ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপের কঠিন গ্রুপে ২৯ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে বন্ধো মিটারে ২০ ইউনিট দেখি বিল করেছে বহুল প্রত্যাশিত আলীর টেক -বক্তা বলী সেতু ডিগ্রীর চর খেয়াঘাট দিয়ে হচ্ছে। বাংলাদেশ সহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক দিল্লিতে

নেপালের ৩০ ফুট পানি বাড়ে ৩০ মিনিটে,৫২০০ মিটার উঁচুতে হিমবাহ ধস।

মোঃ মাইনুল হোসেন মঈন / ৮৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

এবার তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে বুধবারের (২৬ আগস্ট) ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পেছনে একটি হিমবাহের ধস বড় কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

তাঁদের ধারণা, হিমবাহের নিচের একটি বড় অংশ ভেঙে শত শত মিটার নিচে উপত্যকায় আছড়ে পড়ার ফলে এ বিপর্যয় ঘটেছে। মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এ কথা জানিয়েছেন।

 

ঠিক কী কারণে হিমবাহটি ধসে পড়ল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নেপালের সরকারি কর্মকর্তাদের ধারণা, দুর্যোগের ঠিক কয়েক মিনিট আগে ওই অঞ্চলে আঘাত হানা একটি ভূমিকম্প এর পেছনে দায়ী হতে পারে। প্ল্যানেট ল্যাবসের পাঠানো দুর্যোগের আগের ও পরের স্যাটেলাইট ছবিগুলো পর্যালোচনা করেছে রয়টার্স। ছবিতে দেখা গেছে, ওই অঞ্চলের চিরসবুজ পাহাড়গুলো এখন বাদামি রঙের ধ্বংসস্তূপ ও পলিমাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। ভারতের সিকিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ভূতত্ত্বের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ বিক্রম গুপ্ত বলেন, ‘এটি নিশ্চিত যে হিমবাহের অগ্রভাগের একটি বড় অংশ ধসে পড়ার মাধ্যমেই ঘটনার সূত্রপাত হয়। এর সঙ্গে সম্ভবত বিপুল পরিমাণ পাথর ও পলিমাটিও নিচে নেমে এসেছে।’

 

কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির সহযোগী অধ্যাপক ও ভূবিজ্ঞানী ড্যান শুগার জানান, স্যাটেলাইট ছবি দেখে মনে হচ্ছে, দুর্যোগের আগের ২৪ ঘণ্টায় ওই এলাকায় প্রচুর বরফ গলেছিল। তার ভাষ্য, ‘আজ সকালে (গতকাল বুধবার) প্ল্যানেট ল্যাবসের স্যাটেলাইট চিত্রে আমি যা দেখেছি, তা হলো প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের নিচের অংশ ভেঙে তারও প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার নিচে উপত্যকায় আছড়ে পড়েছে।’

 

হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলজুড়ে বন্যা, ভূমিধস, তুষারধস এবং খরার তীব্রতা ও প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট’ জানিয়েছে, এই অঞ্চলে পানি, ভূমি ও বায়ুমণ্ডলের দ্রুত পরিবর্তন মানুষের জীবনযাত্রার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংস্থাটি জানায়, আকস্মিক এই বন্যার ফলে ভোটে কোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় তীব্রগতিতে পানি, পলি ও বিশালাকার পাথর বয়ে গেছে। এর ফলে ভাটির দিকে গালছি এলাকায় নদীর পানির স্তর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রায় ৯ মিটার (৩০ ফুট) পর্যন্ত বেড়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd