• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বহুল প্রত্যাশিত আলীর টেক -বক্তা বলী সেতু ডিগ্রীর চর খেয়াঘাট দিয়ে হচ্ছে। বাংলাদেশ সহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক দিল্লিতে জনগণের আস্থা অর্জন জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি: আইজিপি জাইকার শ্রমিকদের কুপিয়ে জখম নারায়ণগঞ্জ শহীদ জিয়া হলে সিতি হাসমাহ । মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন ২৪ সদস্যের লিঁয়াজো কমিটি গঠন ৭ ইসলামিক দলের ঐক্য গঠনের প্রতিষ্ঠায়। আরো একটি দেশের প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালালেন ছাত্র আন্দোলনের মুখে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ।নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ক্রিয়া সংস্থার সদস্য সচিব রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করলেন অবৈধ অনলাইন প্লাটফর্মে আর্থিক লেনদেনে বাংলাদেশের১৩টি পোশাক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কানাডার মেলায় অংশগ্রহণ

‎লক্ষাধিক শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

‎লক্ষাধিক শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

 

‎এক লাখের বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৩২ হাজার ৫০০ জন এবং বিভিন্ন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-প্রভাষক পদে ৭০ হাজার জন নিয়োগের কথা রয়েছে।

 

আজ ‎বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা জানান।

 

‎

 

শিক্ষা‎মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেছেন। আপিল বিভাগ আমাদের আপিল গ্রহণ করেছেন এবং আমরা এখন ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করতে পারব।’

 

‎

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘এর সঙ্গে আরও প্রায় ৭০ হাজার জন (এমপিওভুক্ত শিক্ষক-প্রভাষক) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় খবর।’

 

‎এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য থাকা প্রায় ৭৮ হাজার পদে নতুন পদ্ধতিতে সরাসরি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এনটিআরসিএ।

 

 

‎

 

‎এত দিন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কাছ থেকে শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন নিয়ে তাঁদের নিয়োগ সুপারিশ করা হলেও নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে প্রার্থীদের সরাসরি শূন্যপদে নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।

 

‎

 

‎আগে মন্ত্রীদের পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্রে পরিদর্শনে ঢুকে পরীক্ষার্থীদের বিরক্তির কারণ হতে দেখা গেলেও সে ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

 

‎

 

‎শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা ছিল, কিন্তু সম্ভবত আমাদের সহকর্মীরা মনে করেন যে আমাদের সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সে কারণেই সবাই এই কক্ষে বসে আছি, কিন্তু আগে এমনটি হতো না। অনেক বড় পরিবর্তন এসেছে।’

 

‎

 

‎৫ লাখ ৪৪ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি হলেও সবাই পরীক্ষা দিচ্ছেন না তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ ধারার প্রায় ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। তারা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না।’

 

‎

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসাশিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। যখন আমরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছি, তখন এটি আমাদের জন্য ভালো খবর নয়।’

 

‎

 

‎ইউনেসকো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ এডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্র‍্যান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্র‍্যান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন।

 

‎

 

‎অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ অনেকে।

 

‎

 

‎‎শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া টাকার অপচয় সহ্য করা হবে না বলে সতর্ক করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০০১ সালে আমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এসব প্রকল্প সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা ছিল। পূর্ববর্তী সরকার প্রচুর ঋণ ও অনুদান নিয়েছিল, কিন্তু তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।’

 

‎

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে, আমাদের বিভাগে কোনো অপচয় বা অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না। তাই আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে, যা আমাদের সচিব বারবার বলছেন, শিক্ষা খাতে এই অর্থ আমরা কীভাবে বিনিয়োগ করব, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের মাধ্যমে আমাদের খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

 

‎

 

‎দেশে মানসম্মত শিক্ষার ‘সত্যিই প্রয়োজন’ তুলে ধরে মন্ত্রী মিলন বলেন, ‘সম্ভবত আমরা মানসম্মত শিক্ষায় পিছিয়ে পড়েছি। আমি বিশ্বাস করি, সরকারের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করা উচিত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। কিন্তু আমরা এখানে সহায়ক হিসেবে কাজ করছি, যাতে তারা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।’

 

‎

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই বছর আমাদের জিডিপির ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছেন এবং এটি একটি বড় অঙ্কের অর্থ। এ ছাড়াও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে এটি জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করবেন। ‎এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের যোগ্যতা এবং প্রশিক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, আমরা এই অর্থ সঠিকভাবে বিনিয়োগ করব।’

 

‎

 

‎দেশের শিক্ষা খাত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমার অভিজ্ঞতা এবং বর্তমানে এই অফিসে আসার পর আমার মনে হচ্ছে যেন আমি পেছনের আয়না দেখে রিভার্স গিয়ারে গাড়ি চালাচ্ছি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সময়কালে আমরা যেখানে শিক্ষাব্যবস্থাকে রেখে গিয়েছিলাম, আমি এই মন্ত্রণালয়ে ফিরে এসে নিজেকে তার চেয়ে অনেক পিছিয়ে আবিষ্কার করেছি।’

 

‎

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপিল বিভাগ যে মামলাটি নিষ্পত্তি করেছেন, তা ২০১৭ সালে দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলা সমাধানের জন্য আমাদের অনেক বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমি জানি না কেন সরকার এই মামলাগুলো সমাধানের ব্যাপারে সিরিয়াস ছিল না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd