• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সীমানা বর্ধিতকরণে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের গনশুনানিঅনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটের মানববন্ধন পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, যা লিখেছেন পদত্যাগপত্রে সিদ্ধিরগঞ্জের এলাকাবাসীর দাবি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার যন্তর মন্তরে ‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলন চলবে, সরকারের কাছে তাদের তিন দাবি কী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় মাসদাইর এলাকায় ছিনতাইকারী আখ্যায় সিজান হত্যায় ওলামা দল ও খেলাফত মজলিসের নেতা সহ ২১ জন আসামি ব্রাজিলের হার দেখে ঘুম, সকালে উদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ! বন্দরে আনসারদের অস্ত্র লুটে নিল ডাকাত দল। মাদক উদ্ধার নামে লুটপাট ফতুল্লায় চুরির মামলায় এসআই কারাগারে।

সিদ্ধিরগঞ্জের এলাকাবাসীর দাবি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

মোঃ মাইনুল হোসেন মঈন / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

মোটা অংকের টাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে ম্যানেজ করেসিদ্ধিরগঞ্জে ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুদ্দিন শেখকে মিথ্যা হত্যা মামলার আসামি করায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব ও ডিসি অফিসে এলাকাবাসীর মানববন্ধন। ওসির শাস্তি দাবি।

 

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন 01778998433)

 

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও গোদনাইল বউবাজার এনায়েতনগর এলাকার ভদ্র শিক্ষিত ও সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিবিদ প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বিএনপির ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে শামসুদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করায় সিদ্ধিরগঞ্জের সর্বত্র তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সকলের একটাই কথা একটাই দাবি শামসুদ্দিন শেখ ভদ্রলোক, সুষ্ঠু রাজনীতি করে। কোন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি নোংরা রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। বরং যারা নোংরা রাজনীতি লুটপাট করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। মূলত তার প্রতিবাদী কন্ঠস্বরকে রোধ করার জন্য ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ৫/৬ জন তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার পাঁয়তারা করছে বলে গোদনাইল ৮ নং ওয়ার্ড সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আসা প্রতিটি নারী-পুরুষের দাবি।

 

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন (01778998433)

 

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য বিএনপির বিগত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের সামনের সারির বিপ্লবী নেতা শামসুদ্দিন শেখের পক্ষে মানববন্ধনে আশা প্রতিটি নারী-পুরুষ তাদের বক্তব্যে বলেন, শামসুদ্দিন শেখ ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপিতে একজন পরিচ্ছন্ন নেতা ও প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। বক্তারা বলেন ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি গত দুই বছর যাবত দুইভাগে বিভক্ত। এক ভাগে মাত্র দুই বছর মধ্যে সকল নেতাকর্মীদের ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে গেছে। বিপরীতে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে জে জুলুম খেটেছে বাড়ীতে থাকতে পারে নাই তারা এক টাকাও পায়না। শামসুদ্দিন শেখ দীর্ঘ ১০ মাস যাবত ঐক্যবদ্ধ ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সুবিধাবঞ্চিত নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম প্রতিবাদ করে আসছিলেন। মূলত বুঝতে পেরেছিল শামসুদ্দিন কে শায়েস্তা করতে না পারলে তার কণ্ঠরোধ করতে না পারলে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চুরি ডাকাতি বন্ধ হয়ে যাবে।

 

 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্মআহবায়ক আহমেদ হুমায়ুন কবির বলেন, দীর্ঘ বিশ মাস যাবত দলের কোন নেতাকর্মীদের গার্মেন্টসের মালের লাভের টাকা মেরে খাচ্ছে কেন্দ্রীয় খুব দলের সাবেক সদস্য সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মমতাজ উদ্দিন মন্ত্র, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্তমান সভাপতি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ঘরজামাই ডি এইচ বাবুল, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ভদ্র চাঁদাবাজ ঠান্ডা মাথার গিরিঙ্গিবাজ জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাগর প্রদান, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাসুম প্রদান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক চাঁদাবাজ ডালিম প্রদান সহ আরও ৩/৪ জন গত ২০ মাসে তিন কোটি টাকার আত্মসাৎ করে। ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির ছোট বড় সকল ফ্যাক্টরি থেকে মাসে 25 লক্ষ টাকা আয় হয়। এসব টাকার জন্য শামসুদ্দিন শেখের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছিলেন। কিন্তু চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী। এদিকে গত ১৭/৭/২০২৬ তারিখ রোজ শুক্রবার ৮ নং ওয়ার্ডের সৈয়দ পাড়ায় একটি মেয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় চার যুবক ফজলু নামে ব্যক্তিকে মারদোর করে। পরে দুইদিন পর রবিবারে ফজলু মারা যায়।

 

এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই আই তারেক তদন্ত করে। ঘটনা স্থলে এসআই তারেক সহ এলাকার সাধারণ মানুষ কে সাথে নিয়ে করে। পরে তদন্ত শেষে বেরিয়ে আসে এই ঘটনায় চার যুবক নোবেল রবিন মিলন অনন্ত সরাসরি জড়িত। ঘটনার স্থান থেকে চার জনের নাম নিয়ে যায়। রবীন নামের একজন কে ঐদিন গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু পরের দিন গভীর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে উপরে উল্লেখিত ৬ জন মিলে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ঐ মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যাহা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণীত।

 

  1. এদিকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে যাওয়া শামসুদ্দিন শেখ বলেন, আমি আমার ত্যাগি নির্যাতিত সুবিধাবঞ্চিত নেতাকর্মীদের জন্য প্রতিবাদ করেছি। তাদের জন্য্য আমার আন্দোলন চলমান থাকবে। আমি কোন অন্যায় করিনি। আমিনের পক্ষে কাজ করছি।। ওরা যতদিন পর্যন্ত প্রকৃত নেতাকর্মীদের টাকা না দেবে চলমান থাকবে। যেদিন ওরা সোণা দিবে মিলেমিশে রাজনীতি করব সেদিনই আমার আন্দোলন হবে ইনশাল্লাহ। বক্তারা বলেন শেখ নির্দোষ উদ্দিন সাহেব হত্যা মামলার সাথে জড়িত নয় সাংবাদিক সাহেবদের উদ্দেশ্যে বলেন তদন্ত করে দেখেন সম্পন্ন নোংরা ভাবে থানার ওসি সামসুদ্দিন শেখের নামটা ঢুকিয়ে দিয়েছে। আমরা তার অপসারণ চাই। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি একজন মামলা বাস তিনি আওয়ামী লীগের দোসর। টাকা ছাড়া কোন মামলা নেয় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd